ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী: উলিপুরের এক অদম্য সংগ্রামীর গল্প

বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তবর্তী উলিপুর হচ্ছে কার, খরা ও নদীভাঙ্গন সঙ্গল এমন জনপদ যেখানে আজও সরিষ্য আাব জবছেলার শ্রীধার কাটেনি। কাঁচা রাস্তা, অগ্রদুন বিদ্যুৎ, মাস্টাসম্মত শিক্ষার অভাব এই বাস্তবয়ায় কাটে উনিপুরের প্রায় ও দক্ষ সংগ্রামী মানুষের জীবনের একেকটি দিন। ভাদেরই একজন আমাদের মাহবুবুল আনয় সালেহী। উলিপুরের সন্ধান ব্যারিষ্টার সানেত্রী একজন আন্তর্জাতিকভাবে স্বকৃত আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী ও সন্নাজসেবক। কিশোরপুর সরকারি প্রাথয়িক বিদ্যালয়ে প্রাগনিক শিক্ষা শেষে তিনি দাখিল পাস করেক্সা সাভদরগঞ্জ নেছারীয়া কালিন মাদ্রাসা থেকে। পরবর্তীতে রাজশাদ্বী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক এবং সুইডেনের স্টকহোল বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। পরে যুক্তরাজ্যে ব্যারিস্টার-এট-ন সম্পন্ন করে সফলভাবে আইন পেশায় আয়ানিয়োগ করেন।

ছাত্রজীবনে তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরে যোগ দিয়ে দেশ ও ইসলায়োর পক্ষে সক্রিয় তুলিকা পালা করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে চিনি জেন-জুলুম, নির্যাতন ও মিথ্যা মামনার শিকার হন। এসব মিথ্যা মামনা ও দমন-পীড়নের ঢোকাবিনা করে হিনি নিজ মেধা ও যোগ্যয়ার ভিত্তিতে স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাড়ি জমান।

ফ্যাসিষ্ট সরকারের প্রতিবন্ধকতার কারণে দীর্য ১৬ বছর প্রবাসে কাটাতে বাধ্য হনেও, তিটন সর্বদা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের গণমন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে চলেছেন। যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নাটাবাধিকার সংস্থাসহ গুরুত্বপূর্ণ ফোরালগুলোতে ভাব অংশগ্রহণ ও ভুমিকা নিপীড়িত মানুষের অধিকার রক্ষায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

জুলাই গণবিপ্লবের মন্নয়, তিনি প্রবাসে অবস্থান করেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠিত করেন এবং সরাসরি ও ভার্চুয়াল উভয় মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন। রেমিট্যান্স বয়কটের পরিকল্পনা, প্রচার এবং বাস্তবায়নে তীর ভূমিকা ছিল ভাৎপর্যপূর্ণ। তিনি গুয়েইনিনস্টীর পালারেন্টে আয়োজিত 'স্টুডেন্ট মুডনেন্ট ফর ইকুইটি অ্যান্ড জাস্টিস'-এ অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও, ভিনি নিয়মিতভাবে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সাথে যোগাযোগ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সাথে সনদ্বয়ের মাধ্যয়ে আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান বাধেন।

চব্বিশের ৩৬ জুলাই গণবিপ্লবে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অর্জিয় অভিজ্ঞয়া নিয়ে ব্যারিষ্টার মাহবুবুল আলম সালে ফিরে এসে 'সমৃদ্ধ উলিপুর' গড়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন। শিক্ষার প্রসার, অরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, উন্নত কৃষি ও বিনিয়োগ নদীভাঙ্গন রোধ ও ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তিনি বিশ্বাস করেন, যেখানে মানুষ ন্যায় ও উন্নয়নের পক্ষে পাশে থাকবে, সেখানে উন্নয়ন অনিবার্য।